+8801717030687 [email protected]
  • ডেটা বিভিন্ন ডিভাইসে স্থানান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া
  • যে পদ্ধতিতে ডেটা এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক ডিভাইস হওত এক বা একাধিক ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয় তাকে ডেটা কমিউনিকেশন/ট্রান্সমিশন মেথড বলা হয়।
  • সাধারণত বিটের মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।
  • বিট সিংক্রোনাইজেশন পদ্ধতিতে ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
  • তিন ধরণের..
    • এসিনক্রোনাস
    • সিনক্রোনাস
    • আইসোক্রোনাস

এসিনক্রোনাস

  • যে ট্রান্সমিশন মেথডে ডেটা প্রেরক হতে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়।
  • প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্টবিট ও ১/২টি স্টপবিট থাকবে।
  • একএকটি ক্যারেক্টার ৮ বিটের।
  • ট্রান্সমিশনের টাইম ইন্টার্ভাল সমান নয়।সুবিধা:◦যে কোন সময় ডাটা স্থানান্তর হয় এবং গ্রাহক ডাটা গ্রহন করতে পারে।

    ◦প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয়না।

    ◦ইন্সটলেশন ব্যয় অনেক কম।

    ◦রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।

    অসুবিধা:

    ◦ধীরগতি সম্পন্ন।

    ◦ডেটা ট্রান্সমিশনে বেশি সময় লাগে।

    ◦দক্ষতা ও সিকিউরিটি কিছুটা কম।

    ◦ট্রান্সমিশন হার সমান নয়।

    ব্যবহার:

    ◦কীবোর্ড হতে কম্পিউটার

    ◦পাঞ্চকার্ড রিডার হতে কম্পিউটার

    ◦কম্পিউটার হতে প্রিন্টার

সিনক্রোনাস

  • যে ট্রান্সমিশন মেথডে ডেটা প্রেরক হতে ব্লক আকারে ট্রান্সমিট হয়।
  • প্রাইমারী স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে।
  • প্রতিটি ব্লকে কমপক্ষে 80 হতে 132 টি ক্যারেক্টার থাকে।
  • ট্রান্সমিশনের টাইম ইন্টার্ভাল সমান ।

সুবিধা:

  • ব্লক আকারে ট্রান্সমিট হওয়ার কারনে ট্রান্সমিশন স্পীড অনেক বেশি।
  • দক্ষতা বেশি, দ্রুত পদ্ধতি।
  • সময় অনেক কম লাগে।
  • বেশিপরিমাণে ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
  • স্টার্ট ও স্টপ বিটের প্রয়োজন নেই।

অসুবিধা:

  • প্রাইমারী স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।
  • খরচ অনেক বেশি।
  • রক্ষণাবেক্ষন কঠিন।
  • ট্রান্সমিশন হার সমান নয়।

ব্যবহার:

  • ◦কম্পিউটার হতে কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিট করতে।
  • ◦এক স্থান হতে দূরবর্তী কোন স্থানে ডেটা ট্রান্সমিট করতে।
  • ◦অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডিভাইসে একই সাথে ডেটা ট্রান্সমিট করতে।